Top News

Top News

{getBlock} $results={4} $label={Top News} $type={block2}

Politics

{getBlock} $results={6} $label={Politics} $type={grid1}

Breaking

{getBlock} $results={4} $label={Breaking} $type={col-left}

Trending

{getBlock} $results={4} $label={Trending} $type={col-right}
Jangal Mahal Sangbad

قراءة المزيد

عرض الكل

🌍 বিশ্বরূপ দর্শনে অর্জুন কী কী বিস্ময়কর দৃশ্য দেখেছিলেন?📖 শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা — ১১তম অধ্যায়, বিশ্বরূপ দর্শন যোগদিব্যচক্ষু পাওয়ার পর অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের মধ্যে এমন এক অসীম মহাজাগতিক রূপ দেখেছিলেন, যা সাধারণ চোখে দেখা সম্ভব নয়।✨ অর্জুন যা দেখেছিলেন—1️⃣ 🌌 অসংখ্য মুখ, চোখ ও হাত — কৃষ্ণের বিশ্বরূপে অসংখ্য মুখ, চোখ, বাহু ও অন্যান্য ঐশ্বরিক রূপ প্রকাশিত হয়েছিল।2️⃣ 👑 অসংখ্য দেবতা ও মহর্ষি — বিভিন্ন দেবতা, ঋষি ও দিব্য সত্তাকে সেই বিশ্বরূপের মধ্যে দেখতে পান।3️⃣ ☀️🌙 সূর্য ও চন্দ্রের মতো দীপ্তি — তাঁর রূপের উজ্জ্বলতা ছিল অসীম। গীতায় বলা হয়েছে, আকাশে একসঙ্গে হাজার সূর্য উদিত হলে যেমন দীপ্তি হতে পারে, তেমন এক মহাজাগতিক আলো।4️⃣ 🌍 সমগ্র জগতকে একসঙ্গে দেখতে পান — স্থাবর-জঙ্গম সমস্ত সৃষ্টি সেই বিশ্বরূপের মধ্যে অবস্থান করছে বলে অর্জুন উপলব্ধি করেন।5️⃣ 🔥 জ্বলন্ত মুখ ও ভয়ংকর রূপ — অসংখ্য মুখ যেন প্রলয়ের অগ্নির মতো জ্বলছিল।6️⃣ ⚔️ যোদ্ধাদের সেই মুখে প্রবেশ করতে দেখেন — কুরুক্ষেত্রের বহু যোদ্ধাকে সেই ভয়ংকর মুখগুলোর দিকে ধাবিত হতে দেখেন।7️⃣ ⏳ সৃষ্টি ও বিনাশের মহাশক্তি উপলব্ধি করেন — বিশ্বরূপে তিনি শুধু সৌন্দর্য নয়, সময়ের প্রবাহ, ধ্বংস ও পুনর্গঠনের মহাশক্তিও প্রত্যক্ষ করেন।🕉️ গভীর শিক্ষা:বিশ্বরূপে অর্জুন বুঝতে পারেন—ঈশ্বরের মধ্যে শুধু সৃষ্টি ও সৌন্দর্য নয়, সমগ্র জগতের পরিবর্তন, সময় ও বিনাশও অন্তর্ভুক্ত।📖 গীতা ১১.৭-এর ভাবার্থ:“এক স্থানেই আমার দেহের মধ্যে সমগ্র জগৎ—চর ও অচর—দেখো।”✨ মূল শিক্ষা:বিশ্বরূপ দর্শন অর্জুনকে দেখিয়েছিল যে সমগ্র সৃষ্টি বিচ্ছিন্ন নয়—সবকিছু এক মহাজাগতিক ঐক্যের মধ্যে অবস্থান করছে।

আজ কেজুয়াল এন্ড কন্ট্রাক্ট লেবার ইউনিয়ন সংগঠনের পক্ষ থেকে এস.বি.আই স্টাফদের নিয়ে মিটিং শুরু হয় বীরভূমের সাঁইথিয়াতে। শ্রমিক দের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে এ মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানা যায়। শ্রমিক দের স্বার্থে - শ্রমিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন - সংগঠনের সুপ্রিমো - শ্রী রাকেশ কুমার সিং ।

এমপি ছাড়াই, চিন্ময় প্রভূ র মুক্তির দাবিতে NCPI এর জন জোয়ার। উপস্থিত এন.সি.পি.আই- সুপ্রিমো - উত্তীয় কুন্ডু। সঙ্গে ছিলেন বৃহৎ সাধু সন্ন্যাসী দের সংগঠন। এদিন মাঝ রাস্তায় বেরিকেট করে মিছিল আটকে দেয় পুলিশ, পরে প্রতিনিধি দল গিয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের হাতে দাবি পত্র তুলে দেন।।

🪷 শ্রীকৃষ্ণকে সর্বদা স্মরণ করে কর্তব্য পালন করার শিক্ষা কেন দেওয়া হয়েছে?🪷 উত্তর:শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ৮ম অধ্যায়ের ৭ম শ্লোকে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছেন—“তস্মাৎ সর্বেষু কালেষু মামনুস্মর যুধ্য চ।”অর্থাৎ, “তাই সর্বকালে আমাকে স্মরণ কর এবং যুদ্ধ কর।”এর গভীর অর্থ হলো—মানুষ যেন ঈশ্বরকে স্মরণ করার নামে নিজের কর্তব্য থেকে সরে না যায়, আবার কর্তব্য পালন করতে গিয়ে ঈশ্বরকে ভুলেও না যায়।🌸 কেন এই শিক্ষা?🙏 ১. কর্তব্য থেকে পালানো নয় — জীবনে প্রত্যেকের কিছু দায়িত্ব আছে। সেগুলো সৎভাবে পালন করা উচিত।🪷 ২. কর্মের মধ্যে ঈশ্বরস্মরণ — কাজ করার সময় মনকে ঈশ্বরের প্রতি নিবেদিত রাখলে কর্মের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি কমে।🌿 ৩. মনকে শুদ্ধ রাখা — ঈশ্বরস্মরণ মানুষকে অহংকার, লোভ ও অতিরিক্ত আসক্তি থেকে দূরে থাকার অনুশীলন করায়।✨ ৪. জীবনের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি — গীতার ৮ম অধ্যায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুর সময় যে ভাব স্মরণ করা হয় তার সঙ্গে পরবর্তী গতির সম্পর্ক রয়েছে। তাই ঈশ্বরস্মরণকে জীবনের নিয়মিত সাধনা হিসেবে গড়ে তোলার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।🌺 সহজ কথায়:“কাজ ছেড়ে ঈশ্বরকে খোঁজা নয়—নিজের কর্তব্য পালন করতে করতেই ঈশ্বরকে স্মরণ করা।”🙏 এটাই এই শিক্ষার অন্যতম মূল ভাব।

😭 মৃত্যুর সাড়ে সাত মিনিট আগে কী হয়— জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য, যা আমাদের জানা উচিত‼️আপনি কি জানেন, যখন কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘনিয়ে আসে, তখন আমরা মনে করি সে চলে গেছে—কিন্তু শাস্ত্রমতে, প্রায় **সাত থেকে সাড়ে সাত মিনিট পর্যন্ত** তার মন সচল থাকে। আর সেই সময় তার সামনে পুরো জীবনের কাহিনি যেন রিওয়াইন্ড হয়ে ভেসে ওঠে**🎬 জীবনের সম্পূর্ণ চলচ্চিত্র**🔥তাকে দেখানো হয়—কোন গ্রামে জন্ম, কোন হাসপাতালে জন্ম, কোন নার্স প্রথম কোলে তুলে নিয়েছিলেন—এমনকি এমন স্মৃতিও ফিরে আসে, যা তার নিজের মনেও ছিল না!তারপর বাবা ঘরে নিয়ে এলেন, নামকরণ সংস্কার হলো। বড় হওয়া, ভাইবোন, স্কুল-কলেজ, বন্ধুবান্ধব, বিবাহ, সন্তান-সন্ততি, ধনসম্পদ অর্জন—সবকিছুই যেন এক এক করে চোখের সামনে ভেসে ওঠে। শেষে বার্ধক্য, আর হাসপাতালের সেই শেষ মুহূর্ত—সবই দেখতে পায় সেই ব্যক্তি।**👉 কিন্তু একটি আশ্চর্য ব্যতিক্রম**🤔জীবনের প্রতিটি খুঁটিনাটি—কার সাথে প্রতারণা করেছে, কার ভালো করেছে, কার খারাপ করেছে—সব মনে পড়ে যায়। কিন্তু **কথা-প্রবচন শোনা, পুরী ধাম দর্শন, মায়াপুর ইসকন মন্দির দর্শন,বৃন্দাবন যাওয়া, বর্ষাণায় উৎসব করা, গোবর্ধন পরিক্রমা করা**—এসব কেন মনে পড়ে না?🌿কম্পিউটারে যখন একসাথে অনেক ফাইল ডিলিট করেন, তখন ছোট ফাইলগুলো কখন মুছে যায় বোঝাই যায় না। কিন্তু **সবচেয়ে বড় ফাইলটিই স্ক্রিনে অনেকক্ষণ ধরে দেখাতে থাকে**—"Deleting... Deleting..."।ঠিক তেমনই, আমাদের জীবনে **ভক্তিরূপী ফাইলটি যদি খুব ছোট হয়**, তাহলে তা এত দ্রুত মুছে যায় যে চোখেই পড়ে না।*🙇কিন্তু যাদের ভক্তির ফাইল বড়, তাদের কী হয়?📕যারা প্রতি বছর কোন ভগবানের ধামযান বা বৃন্দাবন যান, বর্ষাণা যান, নিয়মিত ভাগবত কথা শোনেন, নিত্য নামজপ করেন, তিলক ধারণ করেন, একাদশী ব্রত পালন করেন, কণ্ঠীমালা পরেন, দিনে-রাতে ভগবানের চর্চায় থাকেন, ঠাকুরজির সেবায় নিমগ্ন থাকেন—**তাদের জীবনে ভক্তির ফাইলটাই সবচেয়ে বড়!**তাই যখন তাদের শেষ নিঃশ্বাস আসে, তারা অন্য কিছু দেখতে পান না—**শুধু প্রিয়া-প্রিয়তম রাধা-কৃষ্ণকেই দেখতে পান।** কথা-প্রবচনের সব স্মৃতি, বৃন্দাবনের প্রতিটি মুহূর্ত—সব ভেসে ওঠে চোখের সামনে।এমন ব্যক্তির মৃত্যুর সময় মুখে ফুটে ওঠে এক **পরম প্রসন্নতা, এক অলৌকিক আনন্দ**। স্ত্রী-সন্তান, সংসার—কিছুই তখন মনে থাকে না, শুধু সেই দিব্য দর্শনই থাকে তার সামনে।**📿 সেই সাত মিনিটের গুরুত্ব**✍️শাস্ত্র বলে—মৃত্যুর সেই সাত মিনিটের মধ্যে যদি কেউ পাশে বসে "নারায়ণ, নারায়ণ, নারায়ণ" উচ্চারণ করেন, আর মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি যদি নিজের জীবনের চিন্তা ছেড়ে সেই নাম শুনতে থাকেন—**তাহলে তার মুক্তি নিশ্চিত হয়ে যায়!**এই কারণেই যখন পরিবারের কোনো প্রবীণ সদস্যের অন্তিম মুহূর্ত আসে, তখন উচ্চস্বরে **"হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ"** কীর্তন করা উচিত। কারণ যদি তিনি প্রাণ থাকা অবস্থায় এই নাম শুনতে পান, আর তার মনেও সেই নাম প্রবেশ করে, তাহলে তার মুক্তি সুনিশ্চিত।**🥀আশ্চর্যের বিষয়**🤔মুক্তির জন্য খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হয় না—মাত্র কয়েক মিনিটই যথেষ্ট। অথচ এই কোটি কোটি, হাজার কোটি জনসংখ্যার পৃথিবীতে বছরে হাতে গোনা কিছু মানুষই এই প্রকৃত মুক্তি লাভ করেন।**✍️ আমাদের করণীয়**🚶এই শিক্ষা থেকে আমরা বুঝি—জীবনে ভক্তির "ফাইল"টিকে যতটা সম্ভব বড় করে তুলতে হবে। নিয়মিত নামজপ, সাধুসঙ্গ, কথাশ্রবণ, তীর্থদর্শন—এসবই আমাদের অন্তিম মুহূর্তে ভগবানের স্মরণে সাহায্য করবে। আজ থেকেই শুরু করি ভক্তির এই যাত্রা—যাতে জীবনের শেষ মুহূর্তেও আমাদের চোখে থাকে শুধুই কৃষ্ণপ্রেমের দিব্য দর্শন। 🙇🙏🙇হরে কৃষ্ণ 🙇🙏🙇এই সুন্দর ও মূল্যবান পোস্টটি সকলের মধ্যে শেয়ার করুন এবং সকলকে পড়ার সুযোগ প্রদান করুন 🙏👉🥀 আর এমন ধরনের আরও ভক্তি মূলক ও শিক্ষা মূলক পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি 'ফলো' করে রাখুন। 🙏

মুর্শিদাবাদ জেলাতে পঞ্চায়েত সদস্য সহ প্রায় শতাধিক মানুষ NCPI তে যোগদান করলেন। NCPI পার্টি র নীতি আদর্শ মেনে কাজ করবে বলে জানান নতুন সদস্য রা। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলাতে হাজার হাজার মানুষ যোগদান করবে বলে খবর আসছে, শুরু হয়েছে পার্টির সদস্য পদ ও যোগদান কর্ম সূচী।।

تحميل المزيد من المشاركات لم يتم العثور على أي نتائج
Jangal Mahal Sangbad

Crime

{getBlock} $results={5} $label={Crime} $type={block1}

Sports

{getBlock} $results={2} $label={Sports} $type={grid2}

Videos

{getBlock} $results={4} $label={Video} $type={videos}

🎧 LIVE FM RADIO




🔊 Volume