Top News

عرض المشاركات من سبتمبر, 2026

🪷 শ্রীকৃষ্ণকে সর্বদা স্মরণ করে কর্তব্য পালন করার শিক্ষা কেন দেওয়া হয়েছে?🪷 উত্তর:শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ৮ম অধ্যায়ের ৭ম শ্লোকে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছেন—“তস্মাৎ সর্বেষু কালেষু মামনুস্মর যুধ্য চ।”অর্থাৎ, “তাই সর্বকালে আমাকে স্মরণ কর এবং যুদ্ধ কর।”এর গভীর অর্থ হলো—মানুষ যেন ঈশ্বরকে স্মরণ করার নামে নিজের কর্তব্য থেকে সরে না যায়, আবার কর্তব্য পালন করতে গিয়ে ঈশ্বরকে ভুলেও না যায়।🌸 কেন এই শিক্ষা?🙏 ১. কর্তব্য থেকে পালানো নয় — জীবনে প্রত্যেকের কিছু দায়িত্ব আছে। সেগুলো সৎভাবে পালন করা উচিত।🪷 ২. কর্মের মধ্যে ঈশ্বরস্মরণ — কাজ করার সময় মনকে ঈশ্বরের প্রতি নিবেদিত রাখলে কর্মের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি কমে।🌿 ৩. মনকে শুদ্ধ রাখা — ঈশ্বরস্মরণ মানুষকে অহংকার, লোভ ও অতিরিক্ত আসক্তি থেকে দূরে থাকার অনুশীলন করায়।✨ ৪. জীবনের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি — গীতার ৮ম অধ্যায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুর সময় যে ভাব স্মরণ করা হয় তার সঙ্গে পরবর্তী গতির সম্পর্ক রয়েছে। তাই ঈশ্বরস্মরণকে জীবনের নিয়মিত সাধনা হিসেবে গড়ে তোলার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।🌺 সহজ কথায়:“কাজ ছেড়ে ঈশ্বরকে খোঁজা নয়—নিজের কর্তব্য পালন করতে করতেই ঈশ্বরকে স্মরণ করা।”🙏 এটাই এই শিক্ষার অন্যতম মূল ভাব।

😭 মৃত্যুর সাড়ে সাত মিনিট আগে কী হয়— জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য, যা আমাদের জানা উচিত‼️আপনি কি জানেন, যখন কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘনিয়ে আসে, তখন আমরা মনে করি সে চলে গেছে—কিন্তু শাস্ত্রমতে, প্রায় **সাত থেকে সাড়ে সাত মিনিট পর্যন্ত** তার মন সচল থাকে। আর সেই সময় তার সামনে পুরো জীবনের কাহিনি যেন রিওয়াইন্ড হয়ে ভেসে ওঠে**🎬 জীবনের সম্পূর্ণ চলচ্চিত্র**🔥তাকে দেখানো হয়—কোন গ্রামে জন্ম, কোন হাসপাতালে জন্ম, কোন নার্স প্রথম কোলে তুলে নিয়েছিলেন—এমনকি এমন স্মৃতিও ফিরে আসে, যা তার নিজের মনেও ছিল না!তারপর বাবা ঘরে নিয়ে এলেন, নামকরণ সংস্কার হলো। বড় হওয়া, ভাইবোন, স্কুল-কলেজ, বন্ধুবান্ধব, বিবাহ, সন্তান-সন্ততি, ধনসম্পদ অর্জন—সবকিছুই যেন এক এক করে চোখের সামনে ভেসে ওঠে। শেষে বার্ধক্য, আর হাসপাতালের সেই শেষ মুহূর্ত—সবই দেখতে পায় সেই ব্যক্তি।**👉 কিন্তু একটি আশ্চর্য ব্যতিক্রম**🤔জীবনের প্রতিটি খুঁটিনাটি—কার সাথে প্রতারণা করেছে, কার ভালো করেছে, কার খারাপ করেছে—সব মনে পড়ে যায়। কিন্তু **কথা-প্রবচন শোনা, পুরী ধাম দর্শন, মায়াপুর ইসকন মন্দির দর্শন,বৃন্দাবন যাওয়া, বর্ষাণায় উৎসব করা, গোবর্ধন পরিক্রমা করা**—এসব কেন মনে পড়ে না?🌿কম্পিউটারে যখন একসাথে অনেক ফাইল ডিলিট করেন, তখন ছোট ফাইলগুলো কখন মুছে যায় বোঝাই যায় না। কিন্তু **সবচেয়ে বড় ফাইলটিই স্ক্রিনে অনেকক্ষণ ধরে দেখাতে থাকে**—"Deleting... Deleting..."।ঠিক তেমনই, আমাদের জীবনে **ভক্তিরূপী ফাইলটি যদি খুব ছোট হয়**, তাহলে তা এত দ্রুত মুছে যায় যে চোখেই পড়ে না।*🙇কিন্তু যাদের ভক্তির ফাইল বড়, তাদের কী হয়?📕যারা প্রতি বছর কোন ভগবানের ধামযান বা বৃন্দাবন যান, বর্ষাণা যান, নিয়মিত ভাগবত কথা শোনেন, নিত্য নামজপ করেন, তিলক ধারণ করেন, একাদশী ব্রত পালন করেন, কণ্ঠীমালা পরেন, দিনে-রাতে ভগবানের চর্চায় থাকেন, ঠাকুরজির সেবায় নিমগ্ন থাকেন—**তাদের জীবনে ভক্তির ফাইলটাই সবচেয়ে বড়!**তাই যখন তাদের শেষ নিঃশ্বাস আসে, তারা অন্য কিছু দেখতে পান না—**শুধু প্রিয়া-প্রিয়তম রাধা-কৃষ্ণকেই দেখতে পান।** কথা-প্রবচনের সব স্মৃতি, বৃন্দাবনের প্রতিটি মুহূর্ত—সব ভেসে ওঠে চোখের সামনে।এমন ব্যক্তির মৃত্যুর সময় মুখে ফুটে ওঠে এক **পরম প্রসন্নতা, এক অলৌকিক আনন্দ**। স্ত্রী-সন্তান, সংসার—কিছুই তখন মনে থাকে না, শুধু সেই দিব্য দর্শনই থাকে তার সামনে।**📿 সেই সাত মিনিটের গুরুত্ব**✍️শাস্ত্র বলে—মৃত্যুর সেই সাত মিনিটের মধ্যে যদি কেউ পাশে বসে "নারায়ণ, নারায়ণ, নারায়ণ" উচ্চারণ করেন, আর মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি যদি নিজের জীবনের চিন্তা ছেড়ে সেই নাম শুনতে থাকেন—**তাহলে তার মুক্তি নিশ্চিত হয়ে যায়!**এই কারণেই যখন পরিবারের কোনো প্রবীণ সদস্যের অন্তিম মুহূর্ত আসে, তখন উচ্চস্বরে **"হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ"** কীর্তন করা উচিত। কারণ যদি তিনি প্রাণ থাকা অবস্থায় এই নাম শুনতে পান, আর তার মনেও সেই নাম প্রবেশ করে, তাহলে তার মুক্তি সুনিশ্চিত।**🥀আশ্চর্যের বিষয়**🤔মুক্তির জন্য খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হয় না—মাত্র কয়েক মিনিটই যথেষ্ট। অথচ এই কোটি কোটি, হাজার কোটি জনসংখ্যার পৃথিবীতে বছরে হাতে গোনা কিছু মানুষই এই প্রকৃত মুক্তি লাভ করেন।**✍️ আমাদের করণীয়**🚶এই শিক্ষা থেকে আমরা বুঝি—জীবনে ভক্তির "ফাইল"টিকে যতটা সম্ভব বড় করে তুলতে হবে। নিয়মিত নামজপ, সাধুসঙ্গ, কথাশ্রবণ, তীর্থদর্শন—এসবই আমাদের অন্তিম মুহূর্তে ভগবানের স্মরণে সাহায্য করবে। আজ থেকেই শুরু করি ভক্তির এই যাত্রা—যাতে জীবনের শেষ মুহূর্তেও আমাদের চোখে থাকে শুধুই কৃষ্ণপ্রেমের দিব্য দর্শন। 🙇🙏🙇হরে কৃষ্ণ 🙇🙏🙇এই সুন্দর ও মূল্যবান পোস্টটি সকলের মধ্যে শেয়ার করুন এবং সকলকে পড়ার সুযোগ প্রদান করুন 🙏👉🥀 আর এমন ধরনের আরও ভক্তি মূলক ও শিক্ষা মূলক পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি 'ফলো' করে রাখুন। 🙏

মুর্শিদাবাদ জেলাতে পঞ্চায়েত সদস্য সহ প্রায় শতাধিক মানুষ NCPI তে যোগদান করলেন। NCPI পার্টি র নীতি আদর্শ মেনে কাজ করবে বলে জানান নতুন সদস্য রা। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলাতে হাজার হাজার মানুষ যোগদান করবে বলে খবর আসছে, শুরু হয়েছে পার্টির সদস্য পদ ও যোগদান কর্ম সূচী।।

জীবনের কিছু সিদ্ধান্তে আক্ষেপ, তবু ‘রিগ্রেট’ নেই দেবের!বিয়ে করবেন কবে? পরিবার বাড়ানোর পরিকল্পনা কী? দেবকে ঘিরে এই প্রশ্নের কৌতূহল নতুন নয়। তবে এবার ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে ব্যক্তিগত জীবনের সেই প্রসঙ্গেই কিছুটা খোলামেলা হলেন অভিনেতা। সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের প্রশ্নের মুখে নিজের জীবন, সিদ্ধান্ত এবং সুখ নিয়ে কী বললেন দেব?পরিবারের প্রসঙ্গ থেকেই দেবের বিয়ে নিয়ে কথা শুরু করেন সুদীপা। উত্তরে অভিনেতা স্পষ্ট করে জানান, তাঁর জীবনের সুখকে শুধু বিয়ে বা সন্তান থাকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে রাজি নন তিনি। দেবের কথায়, “পৃথিবীতে কেউ তো বলেনি বিয়ে করলে তুমি হ্যাপি থাকবে, না করলে হ্যাপি থাকবে না।” তাঁর বক্তব্য, জীবনে যদি সুখী থাকাই লক্ষ্য হয়, তাহলে তিনি নিজেকে সুখী বলেই মনে করেন।তবে নিজের অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে একেবারে আক্ষেপহীন নন দেব। অভিনেতার স্বীকারোক্তি, জীবনে এমন কিছু সিদ্ধান্ত রয়েছে, যেগুলি হয়তো অন্যভাবে নেওয়া যেত। কিছু সিদ্ধান্ত আগে নেওয়া সম্ভব ছিল বলেও মনে করেন তিনি। সেই জায়গা থেকেই এসেছে আক্ষেপ।কিন্তু সেই আক্ষেপকে নিজের বর্তমান জীবনের অসুখের সঙ্গে এক করে দেখতে নারাজ দেব। তাঁর কথায়, “আক্ষেপ হয়, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমি হ্যাপি নই।” একইসঙ্গে বাবা-মা, পরিবার এবং নিজের কাজের প্রতি দায়িত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি।কেরিয়ারের দীর্ঘ পথচলা নিয়েও আত্মসমালোচনার সুর শোনা যায় দেবের গলায়। সময়ের সঙ্গে অনেকটা পথ এগিয়ে এলেও, শেষ পর্যন্ত তাঁর উপলব্ধি একটাই—“কিন্তু সত্যি আমার কোনও রিগ্রেট নেই।”বিয়ে, সংসার কিংবা সন্তান—জীবনের সুখের সংজ্ঞা যে প্রত্যেকের কাছে আলাদা, ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে দেবের কথায় যেন সেই বার্তাই আরও একবার স্পষ্ট হল।বক্তা:- দেব।#tollywoodfocuskolkata #dev #tollywood

অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিং হোম এর সম্মেলন বাঁকুড়ায় । প্রতিনিধি :-মানিক কর্মকার (বাঁকুড়া)- বাঁকুড়ার একটি বেসরকারি হোটেলে আয়োজিত হল (APHN) অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিং হোম-এর সম্মেলন।বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাঁকুড়ার CMOH শ্যামল সরেন APHN এর রাজ্য সম্পাদক ডাঃ রাজীব পান্ডে সহ দপ্তরের অন্য আধিকারিকরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার। সেই সঙ্গে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল এবং নার্সিং হোমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলির সমস্যা এবং পারস্পরিক সমন্বয় নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়।স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ভবিষ্যতে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায়, সেই বিষয়েও মতবিনিময় করেন উপস্থিত সদস্যরা।সম্মেলনকে ঘিরে বেসরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিল উৎসাহ ও উদ্দীপনাসরকারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দুস্থ ও অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে পরিষেবা দেওয়ায় সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য

পরেশনাথ পাহাড়ে ট্রেকিং অভিযান, শিখরে জাতীয় পতাকা ওড়ালেন গঙ্গাজলঘাটির পড়ুয়ারাগঙ্গাজলঘাটি: অ্যাডভেঞ্চারের টানে পাহাড়ের শিখরে পা রাখার স্বপ্নপূরণ। গঙ্গাজলঘাটি এলাকার প্রথম মাউন্টেনিং ক্লাব কাপিষ্ঠা গোবিন্দ প্রসাদ অ্যাডভেঞ্চার লাভার্স-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল তিন দিনের পরেশনাথ পাহাড় ট্রেকিং অভিযান।এই অভিযানে গঙ্গাজলঘাটি, ছাতনা, বাঁকুড়া ও কলকাতার ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। তিন দিনের কঠিন পথ অতিক্রম করে প্রত্যেক অভিযাত্রী সফলভাবে পরেশনাথ পাহাড়ের সামিট (শিখর) করেন। পাহাড়ের চূড়ায় সাগৌরবে ওড়ানো হয় ভারতের জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি স্বাধীনতা সংগ্রামী ঋষিকল্প গোবিন্দপ্রসাদ সিংহের ছবি ও সংস্থার ব্যানার তুলে ধরেন অভিযাত্রীরা।সংস্থার পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ট্রেকিং ও পর্বতারোহণের প্রতি আগ্রহ তৈরি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে তারা। উন্নত মানের প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে ট্রেকিংয়ের আয়োজন করা হয়।আগামী দিনে গ্রামাঞ্চলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আরও এমন অ্যাডভেঞ্চার ও পর্বতারোহণ অভিযান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পড়ুয়াদের মধ্যে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা গড়ে তোলাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

تحميل المزيد من المشاركات لم يتم العثور على أي نتائج

🎧 LIVE FM RADIO




🔊 Volume